.
Showing posts with label Edu health. Show all posts
Showing posts with label Edu health. Show all posts

ফুলকপির চমৎকার কিছু উপকারিতার বিষয়ে জানুন

ফুলকপি সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর সবজিগুলোর একটি যা ক্রুসিফেরি পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। এতে পানির পরিমাণ থাকে ৮৫% এবং খুব অল্প পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট ও প্রোটিন থাকে।  কিন্তু এতে গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন, মিনারেল, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অন্য ফাইটোকেমিক্যাল ও থাকে। এতে ক্যালোরির পরিমাণ খুবই কম থাকে। এই বহুমুখী গুণ সম্পন্ন সবজিটি কাঁচা, সেদ্ধ বা রান্না করেও খাওয়া যায়। চলুন জেনে নিই ফুলকপির চমৎকার কিছু উপকারিতার বিষয়ে।
১। হৃদ-স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সাহায্য করে
ফুলকপিতে সালফারের যৌগ সালফোরাফেন থাকে যা ব্লাড প্রেশারের উন্নতিতে সাহায্য করে। গবেষণা মতে সালফোরাফেন ডিএনএ এর মিথাইলেশনের সাথে সম্পর্কিত যা কোষের স্বাভাবিক কাজের জন্য এবং জিনের সঠিক প্রকাশের জন্য অত্যাবশ্যকীয়, বিশেষ করে ধমনীর ভেতরের প্রাচীরের। সালফোরাফেন ক্যান্সার সৃষ্টিকারী কোষ ধ্বংস করতে পারে এবং টিউমারের বৃদ্ধিকে বাঁধা দেয়। অন্য এক গবেষণায় জানা যায় যে, ফুলকপির সাথে হলুদ যোগ করে গ্রহণ করলে প্রোস্টেট ক্যান্সার নিরাময়ে ও প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা রাখে।  
২। মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়
ফুলকপিতে আরেকটি উপকারী যৌগ কোলাইন থাকে। কোলাইন একটি বি ভিটামিন। এটি মস্তিষ্কের উন্নয়নে সাহায্য করে। প্রেগনেন্সির সময়ে ফুলকপি গ্রহণ করলে ভ্রূণের মস্তিষ্কের গঠনে সাহায্য করে। গবেষণায় নির্দেশ করা হয়েছে যে, জ্ঞানীয় কাজের, শিক্ষার এবং স্মৃতির উন্নয়নে সাহায্য করে কোলাইন।  

৩। শরীরকে বিষমুক্ত হতে সাহায্য করে
ফুলকপির অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান শরীর পরিষ্কার হতে সাহায্য করে। এছাড়াও এতে গ্লুকোসাইনোলেটস থাকে যা এনজাইমকে সক্রিয় করে এবং ডিটক্স হতে সাহায্য করে।

৪। প্রদাহ কমায়
ফুলকপিতে ইন্ডোল ৩ কার্বিনোল বা I3C থাকে যা একটি অ্যান্টিইনফ্লামেটরি উপাদান। এটি শক্তিশালী ইনফ্লামেটরি রিঅ্যাকশন প্রতিরোধ করে।

৫। হজমের উন্নতি ঘটায়
যেহেতু ফুলকপি ফাইবারের গুরুত্বপূর্ণ উৎস সেহেতু এটি হজমের উন্নতিতে সাহায্য করে। ওয়ার্ল্ডস হেলদিয়েস্ট ফুডস এর মতে, ফুলকপি পাকস্থলীর প্রাচীরের সুরক্ষায় সাহায্য করে। ফুলকপির সালফোরাফেন পাকস্থলীর হেলিকোব্যাক্টর পাইলোরি ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিকে এবং পাকস্থলীর প্রাচীরে এর আবদ্ধ হওয়াকে প্রতিহত করে।

৬। ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ
ফুলকপিতে ভিটামিন সি, বিটাক্যারোটিন, কায়েম্ফেরোল, কোয়ারসেটিন, রুটিন, সিনামিক এসিড সহ আরো অনেক উপাদান থাকে। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো ফ্রি র‍্যাডিকেলের ক্ষতির হাত থেকে শরীরকে সুরক্ষা দেয়। এগুলো বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে ধীর গতির করে এবং টিস্যু ও অঙ্গের ক্ষতি হওয়া প্রতিহত করে।
ভাইরাস কি? প্রতিকার/ করনীয়/ প্রতিকার

ভাইরাস কি? প্রতিকার/ করনীয়/ প্রতিকার



ভাইরাস কম্পিউটার ভাইরাস হল এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীর অনুমতি বা ধারণা ছাড়াই নিজে নিজেই কপি হতে পারেমেটামর্ফিক ভাইরাসের মত তারা প্রকৃত ভাইরাসটি কপিগুলোকে পরিবর্তিত করতে পারে অথবা কপিগুলো নিজেরাই পরিবর্তিত হতে পারেএকটি ভাইরাস এক কম্পিউটার থেকে অপর কম্পিউটারে যেতে পারে কেবলমাত্র যখন আক্রান্ত কম্পিউটারকে স্বাভাবিক কম্পিউটারটির কাছে নিয়ে যাওয়া হয়যেমন: কোন ব্যবহারকারী ভাইরাসটিকে একটি নেট ওয়ার্কের মাধ্যমে পাঠাতে পারে বা কোন বহনযোগ্য মাধ্যম যথা ফ্লপি ডিস্ক, সিডি, ইউএসবি ড্রাইভ বা ইণ্টারনেটের মাধ্যমে ছড়াতে পারেএছাড়াও ভাইরাসসমূহ কোন নেট ওয়ার্ক ফাইল সিস্টেমকে আক্রান্ত করতে পারে, যার ফলে অন্যান্য কম্পিউটার যা ঐ সিস্টেমটি ব্যবহার করে সেগুলো আক্রান্ত হতে পারেভাইরাসকে কখনো কম্পিউটার ওয়ার্ম ও ট্রোজান হর্সেস এর সাথে মিলিয়ে ফেলা হয়ট্রোজান হর্স হল একটি ফাইল যা এক্সিকিউটেড হবার আগ পর্যন্ত ক্ষতিহীন থাকে বর্তমানে অনেক পার্সোনাল কম্পিউটার (পিসি) ইণ্টারনেট ও লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত থাকে যা ক্ষতিকর কোড ছড়াতে সাহায্য করে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব, ই-মেইল ও কম্পিউটার ফাইল শেয়ারিং এর মাধ্যমে ভাইরাস সংক্রমন ঘটতে পারেকিছু ভাইরাসকে তৈরি করা হয় প্রোগ্রাম ধ্বংশ করা, ফাইল মুছে ফেলা বা হার্ড ডিস্ক পূণর্গঠনের মাধ্যমে কম্পিউটারকে ধ্বংশ করার মাধ্যমেঅনেক ভাইরাস কম্পিউটারের সরাসরি কোন ক্ষতি না করলেও নিজেদের অসংখ্য কপি তৈরি করে যা লেখা, ভিডিও বা অডি ও বার্তার মাধ্যমে তাদের উপস্থিতির বহিঃপ্রকাশ ঘটায়নিরীহ দর্শন এই ভাইরাসগুলোও ব্যবহারকারীর অনেক সমস্যা তৈরি করতে পারেএগুলো স্বাভাবিক প্রোগ্রামগুলোর প্রয়োজনীয় মেমোরি দখল করেবেশ কিছু ভাইরাস বাগ তৈরি করে, যার ফলশ্রুতিতে সিস্টেম ক্র্যাশ বা তথ্য হারানোর সম্ভাবনা থাকে ভাইরাস সারানোর প্রক্রিয়া কোন কম্পিউটার একবার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হবার পর অপারেটিং সিস্টেম পুনরায় ইনস্টল করা ছাড়া তা ব্যবহার করা বিপদজনকতবে ভাইরাস আক্রান্ত কম্পিউটারকে সারিয়ে তোলার জন্য বেশ কয়েকটি পদ্ধতি রয়েছেএই পদ্ধতিগুলো ভাইরাসের প্রকার ও আক্রান্ত হবার মাত্রার উপর নির্ভর করে ভাইরাস মুছে ফেলা উইণ্ডোজ এক্স পিতে ক্ষতিগ্রস্ত সিস্টেমকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে আসার পদ্ধতিটি সিস্টেম রিস্টোর নামে পরিচিত, যা রেজিস্ট্রি এবং গুরুত্বপূর্ণ সিস্টেম ফাইলসমূহকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে আসে অনেক সময় এর প্রয়োগ ভাইরাস সিস্টেমটিকে হ্যাং করে দেয় এবং পরবর্তীতে হার্ড রিবুট এটিকে ক্ষতিগ্রস্ত করার আগের অবস্থায় নিয়ে যাবেঅবশ্য কিছু ভাইরাস রিস্টোর সিস্টেমসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ টুল যথা টাস্ক ম্যানেজার এবং কমাণ্ড প্রম্পট বিকল করে দেয়এগুলো করে এমন একটি ভাইরাসের নাম সায়াডোরবিভিন্ন উদ্দেশ্যে এডমিনিস্ট্রেটরের উক্ত টুলগুলো অন্যান্য ব্যবহারকারীদের জন্য অকেজো করে রাখার ক্ষমতা আছেভাইরাস রেজিস্ট্রিকে পরিবর্তন করে দেবার মাধ্যমে একই কাজ করে, ফলে যখন একজন প্রশাসক কম্পিউটারটি চালান তখন তিনিসহ অন্যান্য ব্যবহারকারী এই টুলগুলো ব্যবহার করা থেকে বঞ্চিত হনযখন একটি আক্রান্ত টুল ভাইরাসের মাধ্যমে অকেজো হয়ে যায় তখন তা "Task Manager has been disabled by your administrator." বার্তাটি দেয় অপারেটিং সিস্টেমের রিইন্সটলেশন যদি কোন কম্পিউটারে এমন কোন ভাইরাস থাকে যা এণ্টি ভাইরাস সফটওয়্যারের পক্ষে মুছে ফেলা সম্ভব না হয় তবে অপারেটিং সিস্টেমের পুনরায় ইন্সটলেশন জরুরি হতে পারেএটি সঠিকভাবে করার জন্য হার্ড ড্রাইভ সম্পুর্ণভাবে ডিলিট করতে হবে (পার্টিশন ডিলিট করে ফরম্যাট করতে হবে)

* সর্তকতা
কম্পিউটারকে ভাইরাসের আক্রমন হতে রক্ষা করার জন্য সর্তকতার কোন বিকল্প নেইআগে আমরা দেখি ভাইরাস ছড়ায় কেমন করেকোন ভাইরাজই নিজ খেকে সক্রিয় হতে পারে না, ভাইরাস প্রোগ্রাম সক্রিয় হবার জন্য বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করে এবং আমরা এই সকল ভাইরাসের ধোকায় পরে নিজেদের অজানতেই ভাইরাস প্রগ্রামকে সক্রিয় করে ফেলিভাইরাজ বা ওয়ার্ম প্রগ্রাম ফাইল শেয়ারিং অথবা পেন ড্রাইভের মাধ্যমে ছড়ায় যা আমরা হয়তো অনেকেই দেখেছিভাইরাস আক্রান্ত পিসিতে পেনড্রাইভ লাগালে ভাইরাসটি পেনড্রাইভে তার একটা কপি তৈরি করেআর একটা autorun.inf ফাইল তৈরি করে দেয়এই আক্রান্ত পেনড্রাইভটি অন্য পিসিতে লাগানোর পর এর সাথে জড়িত যেকোন “Event” ঘটলে (যেমন open বা explore করলে ) autorun.inf ফাইলটি সক্রিয় হয়ে ভাইরাসটিকে Execute করে দেয়যেমন: কম্পিউটারে পেন ড্রাইভ যুক্ত করলে Autoplay প্রম্পটে আসবে এবং এখান থেকে open বা explore যে অপশনটিই নির্বাচন করি না কেন autorun.inf ফাইলটি সক্রিয় হয়ে ভাইরাসটিকে Execute করে দিবেতার মানে কোনভাবে এই autorun.inf ফাইলকে তৈরি হতে দেয়া না হলে, ভাইরাস পেনড্রাইভে থাকলেও Execute করবে না এখন সমাধান হল আগে থেকে আপনি আপনার পেনড্রাইভে একটা autorun.inf নামে ফোল্ডার” (ফাইল নয়) তৈরি করে রাখুনতাহলেই তাকে রিপ্লেস করে আক্রান্ত পিসির ভাইরাসটি নিজস্ব autorun.inf ফাইল তৈরি করতে পারবে নাকারণ, বেশিরভাগ ভাইরাস নির্মাতারা এই বিদঘুটে সমভাবনাটা এড়িয়েই যান
* অথবা কম্পিউটারকে ভাইরাসের আক্রমন হতে রক্ষা করার জন্য নিচের কৌশলটিও ব্যবহার করা যেতে পারে
* পেন ড্রাইভ লাগালে Autoplay প্রম্পট আসবে , এই Autoplay প্রম্পটকে বন্ধ করতে হবে এবং লক্ষ্য রাখতে হবে এই Autoplay প্রম্পটের কোন অপশন যেনো নির্বাচন করা না হয় করণ বেশির ভাগ ক্ষত্রেই ভাইরাজ প্রগ্রাম সক্রিয় হবার জন্য “Windows Explorer” ব্যবহার করেএই অপশনটি উইন্ডোজ এর ডিফল্ট অপশন, যা ব্যবহার করে আমারা উইন্ডোজের বিভিন্ন ধরনের কাজে ব্যবহার করে খাকিসেই সুযোগেই এই সকল ক্ষতিকর প্রোগ্রাম আমাদের কম্পউটারের ক্ষতি করার সুযোগ পায়আমরা নতুন পেন ড্রাইভ কম্পিউটারে লাগিয়ে পেন ড্রাইভ খোলার জন্য “Windows Explorer” ব্যবহার না করে অন্য কোন “Explorer” ব্যবহার করি তবে এই সকল ক্ষতিকর প্রোগ্রাম আমাদের কম্পউটারের ক্ষতি করার সুযোগ পাবে না অতিরিক্ত “Explorer” হিসাবে “Win Rar” বেশ ভালো কাজ করেমনে করুন আপনি আপনার কম্পিউটারে একটি পেন ড্রাইভ ব্যবহার করার জন্য লাগিয়েছেন এখন Autoplay প্রম্পট আসেছেআপনি সর্তকতার জন্য Autoplay প্রম্পটকে বন্ধ করে দিয়েছেন কিন্তু আপনার পেন ড্রাইভ খুলতে হবেসে ক্ষত্রে “Win Rar” ওপেন করে Address Bar থেকে Drive Letter (যেমনঃ D:\ বা I:\) টাইপ করে এন্টার দিন ব্যাস আপনার পেন ড্রাইভের ডাইরেক্টরি খুলে যাবে এখন এই ডাইরেক্টরি খেকে প্রয়োজনীয় ফাইলটি নির্বচন করে এন্টার দিলেই ফাইলটি ওপেন হয়ে যাবেযে পযন্তু আপনি না চাইবেন সে পযন্ত কোন ফাইল বা প্রোগ্রাম নিজ থেকে চালু হবে না
* সবসময় সিস্টেম ফাইল Show করুন ভাইরাসের এক্সিকিউটেবল (*.exe) ফাইলগুলোর Attibute হয় সাধারণত Hidden এবং System File যা সাধারণত Show করা থাকে নাতাই আপনি বুঝতেও পারেননা আপনার পেনড্রাইভে ভাইরাস আছে কিনা এধরনের ফাইল চিহ্নিত করতে Tools মেনু থেকে Folder Options এ গিয়ে View ট্যাব থেকে Show Hidden Files and Folders রেডিও বাটন সিলেক্ট করুনএবার ঠিক তার নিচের Hide Extensions for known File Types এবং Hide Protected Operating System Files লেখা দুটি চেকবক্স আনচেক করে Apply দিয়ে Ok করে বেরিয়ে আসুনএবারে পেনড্রাইভে সন্দেহজনক কোন Hidden এক্সিকিউটেবল (*.exe) ফাইল দেখলে ডিলিট করে দিন
* Drive Letter টাইপ করে পেনড্রাইভ খুলুন ভাইরাস আক্রান্ত বা সন্দেহজনক পেনড্রাইভ কখনোই ডাবলক্লিক করে অথবা রাইট বাটনে ক্লিক দিয়ে (Open বা Explore করে) খুলবেন নাAddress Bar থেকে Drive Letter (যেমনঃ D:\ বা I:\) টাইপ করে খুলবেনএতে ভাইরাস থাকলেও তা আপনার পিসিকে আক্রান্ত করার সুযোগ পাবে নাএকইভাবে হার্ডডিস্কের অন্যান্য পার্টিশনে ভাইরাস থাকলে তা ডিলিট করুন এবং পিসি রিস্টার্ট দিন
* স্টার্টআপ পরিষ্কার রাখুন আপনার পিসি Boot করার পর যেসব প্রোগ্রাম লোড করে তা থাকে স্টার্টআপেনিত্যপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রামগুলো ছাড়া অন্যান্য প্রোগ্রামগুলোর চেকবক্স আনচেক করে দিনএটি আপনি পাবেন উইন্ডোজের Run থেকে msconfig লিখে এন্টার দিলে যে ডায়ালগ বক্স আসবে তার Startup ট্যাব থেকে এবারে পিসি রিস্টার্ট দিন
* অপ্রয়োজনীয় Process দূর করুন অনেকসময় ভাইরাস ফাইল চিহ্নিত করার পরেও তা ডিলিট করতে গেলে এরর দেয় বা “Access is Denied” দেখায়এরকম হলে বুঝতে হবে ভাইরাস Process টি বর্তমানে Running অবস্থায় আছে যা আগে বন্ধ করতে হবেআপনি Ctrl+Alt+Delete চেপে Task Manager থেকে প্রসেসটি বন্ধ করতে পারেনকিন্তু সমস্যা হয় তখনই যখন প্রসেসটি থাকে Hidden যা Task Manager Show করে নাএক্ষেত্রে আপনি HijackThis নামের সফটওয়্যারটি ব্যবহার করতে পারেন যা বেশ ভাল একটি Spyware Remover

এপেনডিসাইটিস কি, কারণ, লক্ষণ, প্রতিকার



হঠা করেই আপনার বাসার কারো প্রচণ্ড পেটব্যথা শুরু হলআস্তে আস্তে ব্যথা বেড়ে প্রথমে নাভির চারপাশ থেকে পরে তলপেটের একটু ডান দিকে গিয়ে স্থির হলআপনি তাকে নিয়ে জলদি ডাক্তারের কাছে গেলেন, ডাক্তার বললেন- আপনার পেসেন্টের এপেন্ডিসাইটিস, আজকের মধ্যেই সার্জারি করতে হবে

কী এই এপেনডিসাইটিস (Appendicitis) ?

আমাদের বৃহদন্ত্র নলের মতো ফাঁপাবৃহদন্ত্রের তিনটি অংশের মধ্যে প্রথম অংশ হচ্ছে সিকামএই সিকামের সাথে ছোট একটি আঙ্গুলের মত দেখতে প্রবৃদ্ধি হল এপেনডিক্সকোন কারণে যদি এর মধ্যে পাঁচিত খাদ্য, মল বা কৃমি ঢুকে যায়, তাহলে রক্ত ও পুষ্টির অভাব দেখা দেয়নানান জীবাণুর আক্রমণে এপেনডিক্সের ঐ অংশে বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়একেই এপেনডিসাইটিস বলে

লক্ষণ/উপসর্গ:

 পেট ব্যথাঃ প্রথমে নাভির চারপাশ থেকে পরে তলপেটের একটু ডান দিকে গিয়ে স্থির হয়সময়ের সাথে ব্যথার পরিমাণ বাড়েv
রোগির তলপেটে হাত দিলেই ব্যথা অনুভূত হয়, শক্ত অনুভূত হয়
 বমিঃ বার বার বমি ভাব হয়, বমি হতে পারেv
 জ্বরঃ রোগির দেহে জ্বর আসতে পারেv
যদি এপেনডিক্স ফেটে যায় তাহলে হঠা ব্যথা কমে গিয়ে ভাল লাগতে থাকবে, কিন্তু তখন ফ্লুইড পেটের ভেতরে অন্যান্য ফাঁকা স্থানে(abdominal cavity) ছড়িয়ে পড়ে অবস্থা আগের থেকে খারাপ হয়ে যাবে

জটিলতা:

 গ্যাংগ্রিন বা পঁচন ধরাv
 অন্ত্র ছিদ্র হয়ে যাওয়াv
 পেরিটোনাইটিসv
 শকv
 এপেনডিকুলার লাম্পv
 মৃত্যুv

চিকিসা:

২৪ ঘন্টার মধ্যে সার্জারি করে এপেনডিক্স অপসারণ বা এপেনডেকটমি


তবে যদি সার্জারির সুযোগ ওই মুহূর্তে না থাকে তাহলেঃ

1. মুখে কিছু না খাওয়া
2. রাইলস টিউব
3. সাকশন দেয়া
4. ব্যাথা নাশক ও সিডেশন দেয়া
5. এন্টিবায়োটিক দেয়া
6. বাওয়েল সচল রাখার ব্যবস্থা করা

টিকাঃ

যেহেতু সার্জারিতে এপেনডিক্স কেটে ফেলে দেয়া হয়, তাই পুনরায় এপেনডিসাইটিস হবার কোন সম্ভাবনা নেই

----ডিসক্লেইমারঃ

লেখার উদ্দেশ্য কোন প্রকার চিকিসা নয়, শুধুমাত্র জ্ঞানার্জনকোন ভাবেই এই লেখাকে প্রেসক্রিপসন বা রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করা যাবেনারেজিস্টার্ড চিকিসক ছাড়া যেকোন প্রেসক্রিপসন আইনত দণ্ডনীয়
একটি স্বাস্হ্য বিষয়ক টিপস পেজ।

একটি স্বাস্হ্য বিষয়ক টিপস পেজ।



কুকুর বা অন্য জন্তুর কামড়ের পর করণীয়
প্রচুর পানি ও ক্ষার যুক্ত সাবান দিয়ে ক্ষতস্থানটি ধুয়ে ফেলুন
অ্যান্টিসেপকি বা পভিডন/হাইড্রোজেন পার আয়োডিন লাগিয়ে দিন
ক্ষতস্থানটি ঢাকবেন না
ক্ষতস্থানে হলুদ গুড়া, বাম, পিতলের থালা, চুন, ভেষজ, ঝাল ইত্যাদি কিছুই লাগাবেন না এবং করা পড়া খাওয়াবেন নাকারণ তাতে কোন ও লাভ হয় না বরং ক্ষতস্থানের আর ক্ষতি হয়
ক্ষতস্থানে যাকা লাগাবেন না বা পোড়াবেন না
মাদুলি অথবা জাদুটোনায় ভরসা করবেন না
যতদ্রুত সম্ভব রোগীকে ডাক্তার, ক্লিনিক বা হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করুন
উচ্চ রক্তচাপ কি?
রক্তনালীর মধ্যে দিয়ে বয়ে যাওয়ার সময় রক্তনালীর গায়ে রক্ত যে প্রয়োগ করে সেটাকেই রক্তচাপ বলেরক্তচাপ মাপার সময় আমরা দুধরণের রক্তচাপ পেয়ে থাকি- সিস্টোলিক এবং ডায়াস্টোলিক রক্তচাপকারো রক্তচাপ বয়স এবং পুরুষ/মহিলা ভেদে সার্বাজনীনভাবে স্বীকৃত স্বাভাবিক এর চেয়ে বেশি পাওয়া গেলে তখন উক্ত রোগী উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত বলে ধরে নেয়া হয়
পুড়ে যাওয়া রোগীর প্রাথমিক চিকিসা
পুড়ে যাওয়া রোগীর প্রাথমিক চিকিসা:
পুড়ে যাওয়া সাধারণত তিন ধরনের
১ম ডিগ্রী: তাপ লেগে চামড়া লাল হয়ে যায়কোনো ফোস্কা পড়ে না
২য় ডিগ্রী: চামড়া পুড়ে ফোস্কা পড়ে
৩য় ডিগ্রী: পুড়ে যাওয়ার গভীরতা চামড়া ভেদ করে মাংস পর্যন্ত বিস্তৃত হয়
পুড়ে যাওয়া প্রাথমিক চিকিসা
রোগীকে দ্রুত আগুনের উস থেকে সরিয়ে আনতে হবে
* পরনের কাপড়ে আগুন লাগলে মোটা কাপড় বা কম্বল দিয়ে রোগীকে জড়িয়ে ধরতে হবেএবং মাটিতে শুয়ে গড়াতে হবেএতে আগুন নিভে যাবে
* শরীরের যে অঙ্গ পুড়ছে সেখানে পানি ঢালতে হবে;
* ১ম ডিগ্রী পোড়ার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র পানি ঢাললেই হবে, আর কোনো চিকিসার প্রয়োজন নেইপানি ঢালতে হবে ১৫ মিনিট থেকে ২০ মিনিট
* ২য় ডিগ্রী পোড়ার ক্ষেত্রে লম্বা সময় ধরে পানি ঢালতে হবে, ১-২ ঘণ্টা পর্যন্তএক্ষেত্রে ফোস্কা গরানোর দরকার নেইপ্রাথমিক চিকিসার পর চিকিসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত
* ৩য় ডিগ্রী পোড়ার ক্ষেত্রে যত দ্রুত সম্ভব রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া উচিতহাপাতালে নেওয়ার পূর্বে পোড়া স্থানে পানি ঢালতে হবে
ঘুম সম্পর্কে ১৫ টি তথ্য

ঘুম সম্পর্কে ১৫ টি তথ্য



ঘুম প্রতিটা প্রাণীর জন্যেই গুরুত্বপূর্ন

আপনি যখন ঘুমান তখন আপনার শরিরে কি হয় তা জানেন?

•→ আপনার ব্রেইন শক্তি লাভ করে
•→ আপনার শরিরের নষ্ট হওয়া সেল গুলো নিজে নিজে ঠিক হয়
•→ আপনার শরীর গুরুত্বপূর্ন হরমন মুক্ত করে

বয়স অনুপাতে আপনার ভিন্ন ধরনের ঘুম দরকার

_ বাচ্চাদের ১৬ ঘন্টা
_ ৩ থেকে ১২ বছর১০ ঘন্টা
_ ১৩ থেকে ১৮ বছর ১০ ঘন্টা
_ ১৯ থেকে ৫৫ বছর ৮ ঘন্টা
_ ৬৫ বছরের উপরে ৬ ঘন্টা
পুরুষ তার স্বপ্নে অন্য পুরুষ কে দেখে ৭০% সময়, কিন্তু নারী তার স্বপ্নে পুরুষ এবং নারী উভয়কেই সমান সময় দেখে
আমরা স্বপ্নে তাদের ই দেখি যাদের মুখ আমাদের পরিচিততবে যার মুখ আপনি প্রতিদিন দেখেন না তাকেও আপনি স্বপ্নে দেখেন
প্যারাসমনিয়া একটা ঘুমের রোগ যা আপনাকে ঘুমের মধ্যে অস্বাভাবিক কাজ করায়এই রোগের কারনে সংঘটিত হওয়া অপরাধ সমূহ
_ ঘুমের মধ্যে গাড়ী চালানো
_ ভুল চেক লেখা
_ হত্যা
_ শিশু নির্যাতন
_ ধর্ষন
১২% মানুষ সাদা কালো তে স্বপ্ন দেখেএই রেট আরো বারতে পারে,কিন্তু রঙ্গীন টেলিভিশন স্বপ্নকে রঙ্গীন করতে সাহাজ্য
করেছে
স্বপ্ন একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, যে মানুষ স্বপ্ন দেখে না সে অস্বাভাবিক
ঘুমের পোজিশন আপনার পারসনালিটি বহন করে
প্রতি ৪ জন বিবাহিত দম্পত্তির মধ্যে ১টি দম্পত্তি আলাদা খাটে ঘুমায়
১০ব্রিটিশ সৈন্য রাই প্রথম একটি উপায় আবিষ্কার করে একটানা ৩৬ ঘন্টা না ঘুমিয়ে থাকারযখন ক্লান্তি অনুভব করতো, তখন তারা একটা স্পেশাল মুখঢাকনি ব্যাবহার
করতো যা সূর্যের আলোর তীব্রতা বাড়িয়ে দিত এবং তাদের জাগিয়ে তুলতো

১১স্তন্যপায়ী প্রাণীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঘুমায় :

_ কোয়ালাস : দিনে ২২ ঘন্টা ঘুমায়
_ ব্রাউন ব্যাট : দিনে ১৯.৯ ঘন্টা ঘুমায়
_ প্যানগোলিন্স : এরা দিনে ১৮ ঘন্টা ঘুমায়

সব চেয়ে কম ঘুমায় এমন স্তন্যপায়ী প্রানী :

_ গিরাফেস : ১.৯ ঘন্টা ঘুমায় দিনেঘুমের সময় ৫-১০ মিনিট
_ রো হরিন : ৩.০৯ ঘন্টা ঘুমায় দিনে
_ এশিয়াটিক এলিফেন্ট : ৩.১ ঘন্টা ঘুমায় দিনে
১২ডলফিন যখন ঘুমায়, তখন তার ব্রেইন এর অর্ধেক বন্ধ থাকেবাকি অর্ধেক তাকে শ্বাস নিতে সাহায্য করে
১৩আপনি না খেয়ে মরবেন না কিন্তু না ঘুমিয়ে মরবেন২ সপ্তাহ না খেয়ে থাকতে পারবেন কিন্তু ১০ দিন না ঘুমালে মারা পড়বেন
১৪অন্ধ মানুষ স্বপ্নে দেখতে পায়
১৫ঘুম থেকে ওঠার ৫ মিনিটের মধ্যে আপনি স্বপ্নের ৫০% ভুলে যাবেন১০ মিনিটের মধ্যে ৯০% ভাগ ভুলে যাবেন

ধুমপানের ক্ষতিকর দিক



আমার গর্ব, আমি কখনও ধুমপান করিনাআমার গর্ব কখনও অ্যালকোহল পান করিনাএমনকি কখনও অ্যানর্জি ড্রিংকসও পান করিনিযে যুগে ধুমপান করেনা, রকম মানুষ পাওয়া প্রায় দুঃসাধ্য, যে যুগে, মেয়েরা পর্যন্ত ধুমপান করে, সেযুগে জন্ম হয়েও আমি কখনও ফান করেও এ কাজগুলো করিনিসুতরাং গর্ব করতেই পারিযারা ধুমপান করে তাদেরকেও অনুরোধ করব, এটি যাতে ছেড়ে দেয়
আমরা সবাই জানি ধুমপান মানবদেহের অনেক ক্ষতি করেকিন্তু যা জানিনা, তা হলো ঠিক কিভাবে ক্ষতিটা করেসেটি নিয়েই আজকে আমার এ পোস্ট


ধুমপান কখনও একদিনে কাউকে  ধ্বংস করে দেয় নাযত দিন যাবে, যত বয়স বাড়বে তত এর ক্ষতির দিকগুলো দেখা যায়গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিবছর প্রায় ৫.৫ ট্রিলিয়ন সিগারেট তৈরি করা হয় আর প্রায় ১.১ বিলিয়ন মানুষ সিগারেট বা ধুমপান করছেএর মধ্যে প্রতি ১০০ জনে এশিয়ায় প্রায় শতকরা ৪৪ ভাগ পুরুষ ও ৪ ভাগ মহিলা সিগারেট বা ধুমপান করেনইউরোপে নারীদের সিগারেট বা ধুমপান করার হার বেশি প্রায় শতকরা ৪৬ ভাগ পুরুষ ও ২৬ ভাগ মহিলাআমেরিকায় এটি প্রায় ৩৫ ও ২২ ভাগকিন্তু পশ্চিম মহাসাগরীয় অঞ্চলে সিগারেট বা ধুমপান মহামারির মত প্রায় ৬০ ভাগ পুরুষ ও ৮ ভাগ নারী ধুমপানে আসক্ত

মানবদেহে  ধুমপানের ক্ষতিকর দিক

১. ধুমপানের কারণে ফুসফুসে ক্যান্সার হয়
২. হার্ট এটাক ও স্ট্রোক ঘটায়
৩. ধমনীতে (করনারি আর্টারি) ব্লকেজ তৈরি করেতখন এনজিওপ্লাস্টি করে আর্টারিতে রিং পরাতে হয়, এই রিং ১০ বছরের মতন থাকেএরপর অবস্থার উন্নতি না হলে বাইপাস সার্জারি (ওপেন হার্ট) করানো ছাড়া কোনো উপায় থাকে না
৪. দিনে ২০টি সিগারেট খাওয়া স্মোকার প্রতি বছর প্রায় ১ কাপ পরিমান আলকাতরা ধোঁয়ার সাথে ভেতরে নেয়এই পরিমান আলকাতরা ফুসফুসে ঝুল সৃষ্টি করে আবৃত করে রাখে
৫. কার্বন মনোক্সাইড আমাদের পেশী, টিস্যু ও ব্রেনের অক্সিজেনকে নিঃশেষ করে দেয়এসব টিস্যুকে অক্সিজেনেটেড রাখতে ফলে হার্টকে অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হয় ফলে একসময় দেহের বায়ু প্রবেশপথ ফুলে ওঠে ও শেষে দেখা যায় ফুসফুসে কম বাতাস প্রবেশ করে
৬. ধুমপানের কারনে  ফুসফুসে এমফাইসেমাসৃষ্টি করেএমফাইসেমাহলে ধীরে ধীরে ফুসফুস পঁচে যায়এমফাইসেমারোগীর যখন তখন ব্রংকাইটিস হয়ে থাকেযেকোনো সময় হার্ট কিংবা ফুসফুসের স্পন্দন বন্ধ করে দিতে পারে
৭. গর্ভাবস্থায় স্মোকিং করলে ঘনঘন গর্ভপাত, জন্মের আগেই বাচ্চার মৃত্যু হতে পারে, আর বাচ্চার যদি জন্ম হয়ও দেখা যায় সেই বাচ্চা কম ওজন নিয়ে বা অপরিণত অবস্থায় জন্মগ্রহন করে
৮. এছাড়া ধুমপান মুখে বাজে গন্ধ সৃষ্টি করেদাঁতের ও মাড়ির ক্ষয় ঘটায়
৯. ধুমপানের কারণে শরীরের ত্বকে অক্সিজেন কম আসে, ফলে অল্প বয়সে বৃদ্ধদের মত রুক্ষ্য ত্বকের সৃষ্টি হয়এমনকি কম অক্সিজেনের কারণে অঙ্গে পঁচন দেখা দিলে শেষ পর্যন্ত তা কেটে ফেলা ছাড়া উপায় থাকে না
১০. হাড়ের ক্ষয় ঘটায়মেয়েদের ক্ষেত্রে এটি আরো মারাত্মককেননা মেয়েরা এমনিতেই অস্টিওপরেসিসে ভোগে বেশি, তার উপর ধুমপায়ী মেয়েরা ১০-১৫% বেশি এ রোগে আক্রান্ত হবার ঝুঁকিতে পড়ে
১১. পাকস্থলীর ক্যান্সার বা আলসার, কিডনি, অগ্ন্যাশয়, ব্লাডারের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়
সুতরাং দেখা যাচ্ছে, যেই ধুমপানের জন্য ১০০টাকা খরচ করে আসলে আমরা প্রতিদিন নিজের মৃত্যুকে কিনে নিচ্ছিতাই আশাকরি সচেতন হয়ে এই ভয়ংকনর ধুমপান ছেড়ে দিতে উদ্যোগী হবযেই টাকা খরচ করছেন মৃত্যু কেনার জন্য, সেই টাকা দিয়ে ভাল কিছু খাওয়া শুরু করেন
.