.
Showing posts with label home facial. Show all posts
Showing posts with label home facial. Show all posts

উৎসবের আগে ঘরেই ফেসিয়াল

মুখের সৌন্দর্য বজায় রাখতে দরকার মসৃণ ত্বক। তাই সব সময় প্রয়োজন পড়ে ত্বকের পরিচর্যা। বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় গরমে একটু বেশিই নিতে হয়। এসময় অতিরিক্ত ঘামের কারণে ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করা যায় না। অথচ ত্বকে পর্যাপ্ত আদ্রতাও থাকে না। তাছাড়া আসছে পহেলা বৈশাখের সুন্দর সাজের জন্যও নিজের ত্বককে প্রস্তুত করা জরুরি। উজ্জ্বল ত্বকের তকমাতে এবার নজর কাড়বে সবার।
ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতে ফেসিয়ালের তুলনা নেই। পার্লারে গিয়ে অতিরিক্ত টাকা খরচ করতে না চাইলে যেকোনো উৎসবের আগে নিজেই করে নিতে পারেন সুন্দরভাবে। সেজন্য দরকার ফেসিয়ালের উপযুক্ত ধাপ সম্পর্কে জেনে নেয়া। আসুন দেখে নেয়া যাক, বাসায় বসে কীভাবে পার্লারের মতো কার্যকরী ফেসিয়াল করা যায়।
ক্লিঞ্জিং
প্রথমে মুখের ত্বকে গরম ভাপ নিয়ে নিন। এটি আপনার মুখের লোমকুপগুলো খুলে দিতে সাহায্য করবে। ভাপ নেয়া হয়ে গেলে ক্লিঞ্জার দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন ভালো করে। দুধে তুলা ভিজিয়ে ত্বক পরিষ্কার করে নিতে পারেন।

ম্যাসাজ
ফেসিয়াল ক্রিম দিয়ে ১০ মিনিট ত্বকে হালকা হাতে ম্যাসাজ করে নিন। চোয়ালের নিচ থেকে উপরের দিকে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ম্যাসাজ করতে হবে। এতে প্রতিটি লোমকুপের ভেতর থেকে ময়লা বের করতে সুবিধা হয়।
স্ক্র্যাবিং
ম্যাসাজ ক্রিম ধুলে এবার স্ক্র্যাব দিয়ে মুখ আলতো ভাবে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ঘষতে থাকুন। তারপর উষ্ণ তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছে ফেলুন। উজ্জ্বল ত্বকের জন্য চালের গুঁড়া, সুজি অথবা চিনি হতে পারে সবচেয়ে ভালো স্ক্র্যাব।

টোনিং
সমপরিমাণ ভিনেগার ও গোলাপ জল মিশিয়ে তৈরি করতে পারেন টোনার। যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে খুবই উপযোগী। তুলা দিয়ে টোনার মুখে লাগান কিন্তু ভুলেও ঘষবেন না। চোখের চারপাশ বাদ দিয়ে টোনার লাগাতে হবে।
এবার ফেসিয়ালের জন্য যে কোনো একটি মাস্ক প্রস্তুত করুন-

শশা মাস্ক
একটা শসার রস বের করে এক চামচ চিনি ভালো করে মিশিয়ে কিছুক্ষণ ফ্রিজে রেখে দিন। ত্বকে মেখে দশ মিনিট রেখে ধুতে হবে। শসার রস ত্বককে হাইড্রেট করে, ফলে ত্বক অনেক মসৃণ ও উজ্জ্বল হয়।
মসুর মাস্ক
দু’চামচ মসুর ডাল সারারাত ভিজিয়ে রেখে পরদিন সকালে মসুর ডাল বেটে তার মধ্যে অল্প দুধ ও আমণ্ড তেল মিশিয়ে একটা মিশ্রণ তৈরি করে নিন। এই প্যাকটা মুখে মেখে দশ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার পানি দিয়ে ঘষে ঘষে ধুয়ে নিন।
দই মাস্ক
শসার রস, এক কাপ ওটমিল ও এক টেবিল চামচ দই একসঙ্গে মিশিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করুন। এবার এই মিশ্রণটা পুরো মুখে মেখে তিরিশ মিনিট রেখে হালকা গরম পানিতে ধুয়ে নিন।

ডিম মাস্ক
একটা ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে অর্ধেক লেবুর রস মিশিয়ে এই মিশ্রণটা ২০ মিনিট মুখে রেখে ধুয়ে ফেলুন।

টমেটো মাস্ক
একটি টমেটো ভালো করে চটকে নিন। সঙ্গে আধা চা চামচ মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এই প্যাক নিয়মিত ব্যবহারে আমাদের ত্বকের দাগগুলো সব মিলিয়ে যাবে।
মাস্ক ব্যবহারের পর ফুটন্ত গরম পানিতে ১ চামচ গ্রিন টি কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন। ১টি বাটিতে ২ চামচ মুলতানি মাটি, ২ থেকে ৩ চামচ গ্রিন টি ভেজানো পানি এবং ঘৃতকুমারীর রস মেশান। তারপর প্যাকটি মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে পরিষ্কার পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এবার আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে আবিষ্কার করুন নতুন আপনাকে।

ফুলকপির চমৎকার কিছু উপকারিতার বিষয়ে জানুন

ফুলকপি সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর সবজিগুলোর একটি যা ক্রুসিফেরি পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। এতে পানির পরিমাণ থাকে ৮৫% এবং খুব অল্প পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট ও প্রোটিন থাকে।  কিন্তু এতে গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন, মিনারেল, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অন্য ফাইটোকেমিক্যাল ও থাকে। এতে ক্যালোরির পরিমাণ খুবই কম থাকে। এই বহুমুখী গুণ সম্পন্ন সবজিটি কাঁচা, সেদ্ধ বা রান্না করেও খাওয়া যায়। চলুন জেনে নিই ফুলকপির চমৎকার কিছু উপকারিতার বিষয়ে।
১। হৃদ-স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সাহায্য করে
ফুলকপিতে সালফারের যৌগ সালফোরাফেন থাকে যা ব্লাড প্রেশারের উন্নতিতে সাহায্য করে। গবেষণা মতে সালফোরাফেন ডিএনএ এর মিথাইলেশনের সাথে সম্পর্কিত যা কোষের স্বাভাবিক কাজের জন্য এবং জিনের সঠিক প্রকাশের জন্য অত্যাবশ্যকীয়, বিশেষ করে ধমনীর ভেতরের প্রাচীরের। সালফোরাফেন ক্যান্সার সৃষ্টিকারী কোষ ধ্বংস করতে পারে এবং টিউমারের বৃদ্ধিকে বাঁধা দেয়। অন্য এক গবেষণায় জানা যায় যে, ফুলকপির সাথে হলুদ যোগ করে গ্রহণ করলে প্রোস্টেট ক্যান্সার নিরাময়ে ও প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা রাখে।  
২। মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়
ফুলকপিতে আরেকটি উপকারী যৌগ কোলাইন থাকে। কোলাইন একটি বি ভিটামিন। এটি মস্তিষ্কের উন্নয়নে সাহায্য করে। প্রেগনেন্সির সময়ে ফুলকপি গ্রহণ করলে ভ্রূণের মস্তিষ্কের গঠনে সাহায্য করে। গবেষণায় নির্দেশ করা হয়েছে যে, জ্ঞানীয় কাজের, শিক্ষার এবং স্মৃতির উন্নয়নে সাহায্য করে কোলাইন।  

৩। শরীরকে বিষমুক্ত হতে সাহায্য করে
ফুলকপির অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান শরীর পরিষ্কার হতে সাহায্য করে। এছাড়াও এতে গ্লুকোসাইনোলেটস থাকে যা এনজাইমকে সক্রিয় করে এবং ডিটক্স হতে সাহায্য করে।

৪। প্রদাহ কমায়
ফুলকপিতে ইন্ডোল ৩ কার্বিনোল বা I3C থাকে যা একটি অ্যান্টিইনফ্লামেটরি উপাদান। এটি শক্তিশালী ইনফ্লামেটরি রিঅ্যাকশন প্রতিরোধ করে।

৫। হজমের উন্নতি ঘটায়
যেহেতু ফুলকপি ফাইবারের গুরুত্বপূর্ণ উৎস সেহেতু এটি হজমের উন্নতিতে সাহায্য করে। ওয়ার্ল্ডস হেলদিয়েস্ট ফুডস এর মতে, ফুলকপি পাকস্থলীর প্রাচীরের সুরক্ষায় সাহায্য করে। ফুলকপির সালফোরাফেন পাকস্থলীর হেলিকোব্যাক্টর পাইলোরি ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিকে এবং পাকস্থলীর প্রাচীরে এর আবদ্ধ হওয়াকে প্রতিহত করে।

৬। ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ
ফুলকপিতে ভিটামিন সি, বিটাক্যারোটিন, কায়েম্ফেরোল, কোয়ারসেটিন, রুটিন, সিনামিক এসিড সহ আরো অনেক উপাদান থাকে। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো ফ্রি র‍্যাডিকেলের ক্ষতির হাত থেকে শরীরকে সুরক্ষা দেয়। এগুলো বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে ধীর গতির করে এবং টিস্যু ও অঙ্গের ক্ষতি হওয়া প্রতিহত করে।

উৎসবের আগে ঘরেই ফেসিয়াল

মুখের সৌন্দর্য বজায় রাখতে দরকার মসৃণ ত্বক তাই সব সময় প্রয়োজন পড়ে ত্বকের পরিচর্যা বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় গরমে একটু বেশিই নিতে হয় এসময় অতিরিক্ত ঘামের কারণে ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করা যায় না অথচ ত্বকে পর্যাপ্ত আদ্রতাও থাকে না তাছাড়া আসছে পহেলা বৈশাখের সুন্দর সাজের জন্যও নিজের ত্বককে প্রস্তুত করা জরুরি উজ্জ্বল ত্বকের তকমাতে এবার নজর কাড়বে সবার
উৎসবের আগে ঘরেই ফেসিয়াল


ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতে ফেসিয়ালের তুলনা নেই। পার্লারে গিয়ে অতিরিক্ত টাকা খরচ করতে না চাইলে যেকোনো উৎসবের আগে নিজেই করে নিতে পারেন সুন্দরভাবে। সেজন্য দরকার ফেসিয়ালের উপযুক্ত ধাপ সম্পর্কে জেনে নেয়া। আসুন দেখে নেয়া যাক, বাসায় বসে কীভাবে পার্লারের মতো কার্যকরী ফেসিয়াল করা যায়

ক্লিঞ্জিং

প্রথমে মুখের ত্বকে গরম ভাপ নিয়ে নিন। এটি আপনার মুখের লোমকুপগুলো খুলে দিতে সাহায্য করবে। ভাপ নেয়া হয়ে গেলে ক্লিঞ্জার দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন ভালো করে। দুধে তুলা ভিজিয়ে ত্বক পরিষ্কার করে নিতে পারেন

ম্যাসাজ

ফেসিয়াল ক্রিম দিয়ে ১০ মিনিট ত্বকে হালকা হাতে ম্যাসাজ করে নিন। চোয়ালের নিচ থেকে উপরের দিকে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ম্যাসাজ করতে হবে। এতে প্রতিটি লোমকুপের ভেতর থেকে ময়লা বের করতে সুবিধা হয়

স্ক্র্যাবিং

ম্যাসাজ ক্রিম ধুলে এবার স্ক্র্যাব দিয়ে মুখ আলতো ভাবে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ঘষতে থাকুন। তারপর উষ্ণ তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছে ফেলুন। উজ্জ্বল ত্বকের জন্য চালের গুঁড়া, সুজি অথবা চিনি হতে পারে সবচেয়ে ভালো স্ক্র্যাব

টোনিং

সমপরিমাণ ভিনেগার গোলাপ জল মিশিয়ে তৈরি করতে পারেন টোনার। যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে খুবই উপযোগী। তুলা দিয়ে টোনার মুখে লাগান কিন্তু ভুলেও ঘষবেন না। চোখের চারপাশ বাদ দিয়ে টোনার লাগাতে হবে

এবার ফেসিয়ালের জন্য যে কোনো একটি মাস্ক প্রস্তুত করুন-

শশা মাস্ক

একটা শসার রস বের করে এক চামচ চিনি ভালো করে মিশিয়ে কিছুক্ষণ ফ্রিজে রেখে দিন। ত্বকে মেখে দশ মিনিট রেখে ধুতে হবে। শসার রস ত্বককে হাইড্রেট করে, ফলে ত্বক অনেক মসৃণ উজ্জ্বল হয়

মসুর মাস্ক

দুচামচ মসুর ডাল সারারাত ভিজিয়ে রেখে পরদিন সকালে মসুর ডাল বেটে তার মধ্যে অল্প দুধ আমণ্ড তেল মিশিয়ে একটা মিশ্রণ তৈরি করে নিন। এই প্যাকটা মুখে মেখে দশ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার পানি দিয়ে ঘষে ঘষে ধুয়ে নিন

দই মাস্ক

শসার রস, এক কাপ ওটমিল এক টেবিল চামচ দই একসঙ্গে মিশিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করুন। এবার এই মিশ্রণটা পুরো মুখে মেখে তিরিশ মিনিট রেখে হালকা গরম পানিতে ধুয়ে নিন

ডিম মাস্ক

একটা ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে অর্ধেক লেবুর রস মিশিয়ে এই মিশ্রণটা ২০ মিনিট মুখে রেখে ধুয়ে ফেলুন

টমেটো মাস্ক

একটি টমেটো ভালো করে চটকে নিন। সঙ্গে আধা চা চামচ মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এই প্যাক নিয়মিত ব্যবহারে আমাদের ত্বকের দাগগুলো সব মিলিয়ে যাবে


মাস্ক ব্যবহারের পর ফুটন্ত গরম পানিতে চামচ গ্রিন টি কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন। ১টি বাটিতে চামচ মুলতানি মাটি, থেকে চামচ গ্রিন টি ভেজানো পানি এবং ঘৃতকুমারীর রস মেশান। তারপর প্যাকটি মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে পরিষ্কার পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এবার আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে আবিষ্কার করুন নতুন আপনাকে
.